1. admin@channelb24.com : channelb24.com :
  2. s.m.s.journalist.bd@gmail.com : Channel B :
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
*** পরিক্ষামূলক সম্প্রচারে ‘চ্যানেল বি’ ***
সর্বশেষ :
ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ কোভিড আক্রান্ত বেগম খালেদা জিয়ার সু-স্বাস্থ্য কামনায় দোয়া মমেক ছাত্রলীগের আবারো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড! নরসিংদীতে পৌর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় মানবসেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রকৌশলী মো.খায়রুল বাকের রায়পুরা উপজেলা জাপা’র সভাপতি প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ার এম. এ. ছাত্তারের স্মরণে শোক সভা রায়পুরায় ভাষা সৈনিক এ কে এম বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ দেলপাড়া ‘স্বদেশ জনকল্যাণ সংস্থা’র শীতবস্ত্র বিতরণ নরসিংদী পৌর নির্বাচন : আ’লীগের প্রার্থীর বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৃনমূলকে আরো শক্তিশালী করতে হবে : আব্দুল মতিন ভুইয়া

পৌষ সংক্রান্তি সামনে রেখে কমলগঞ্জে বেড়েছে গুড়-নারিকেলের দাম

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৪৬ বার দেখা হয়েছে

পৌষ সংক্রান্তিকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমে উঠেছে বাজার। সু-স্বাদু পিঠাপুলি তৈরির উপকরণ কেনায় ব্যস্ত মানুষজন। বাজারে বেড়েছে গুড়ের দাম। এক জোড়া নারিকেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে। কমলগঞ্জ উপজেলা সদর ও শমশেরনগর বাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া যায়।

জানা যায়, আগামী ৩০ই পৌষ বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী পৌষ সংক্রান্তি উৎসব। পৌষ সংক্রান্তিতে বাঙলার ঘরে ঘরে বিশেষ করে সনাতনি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি ঘরে তৈরি হবে সু-স্বাদু নানা জাতের পিঠা পুলি। পিঠা পুরি তৈরিতে দুধের সাথে বেশি ব্যবহার করা হয় নারিকেল, চিনি ও গুড়। প্রতিটি বাড়িতে সংক্রান্তির দিন নেয়া হবে বড় আকারের মাছ। বাড়িতে বাড়িতে করা হবে অতিথি আপ্যায়ন। সংক্রান্তির এক সপ্তাহ আগ থেকে সংক্রান্তির পিঠাপুলির উপকরণ বিক্রি বেড়ে যায়।

এ অবস্থায় সম্প্রতি কমলগঞ্জের হাট-বাজারে এসব উপকরণ বিক্রি বেড়ে গেছে। রোববার দুপুরে শমশেরনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে এক সপ্তাহ আগে এক কেজি গুড় বিক্রি হচ্ছিল ৮০ টাকা করে। এখন সে গুড় বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা দরে। খাজুরের গুড় বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগে একটি নারিকেল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা করে। এখন একটি নারিকেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা করে। পৌষ সংক্রান্তির পিঠাপুলি তৈরিতে নারিকেল অপরিহার্য বলে ক্রেতারা এক জোড়া নারিকেল কিনছেন ২০০ টাকা করে।

উপজেলার বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি মিষ্টি কদমা ও বাতাসা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা করে। আর গুড়ের সাথে তিল মিশ্রিত করে নাড়– বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫০ টাকা দরে।

ব্যবসায়ী শেখর ভট্রাচার্য্য বলেন, পৌষ সংক্রান্তি উৎসবে বাঙলার ঘরে ঘরে বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিটি ঘরে নানা জাতের সু-স্বাদু পিঠাপুলি, তৈরি করা হয়। ভালো বড় আকারের মাছ কেনা হয়। অতিথি আপ্যায়ন করা হয়। আর এ সময় দুধ, নারিকেল, চিনি, গুড় ও তিলের ব্যবহার হয় বেশী। এর সাথে আবার ঢলু বাঁশ দিয়ে চোঙা পিঠা পিঠা তৈরি করা হয়। ফলে এসময় ঢলু বাঁশ কেনা হয়। এ সুযোগে বাজারের পিঠাপুলি তৈরির উপকরণের দাম বেড়ে গেছে।

শমশেরনগর বাজারের মোদী ব্যসায়ী তমিজ মিয়া ও হরিপদ পাল বলেন, আগে পাইকারি বাজারে নারিকেলের দাম কম ছিল বলে কম দামে বিক্রি হতো। এখন পাইকারী বাজারে এক জোড়া নারিকেল ১৮০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা বাজারে এক জোড়া নারিকেল ২০০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Channel B
Theme Customized By BreakingNews