1. admin@channelb24.com : channelb24.com :
  2. s.m.s.journalist.bd@gmail.com : Channel B :
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
*** পরিক্ষামূলক সম্প্রচারে ‘চ্যানেল বি’ ***
সর্বশেষ :
নরসিংদী পৌর নির্বাচন : আ’লীগের প্রার্থীর বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৃনমূলকে আরো শক্তিশালী করতে হবে : আব্দুল মতিন ভুইয়া নরসিংদী পৌর নির্বাচন: মেয়র পদে আ’লীগের প্রার্থী বদল, আশরাফের স্থলে আমজাদ ফুফুকে নিয়ে ভেগে গেল ভাতিজা, ফিরে এল অন্তঃসত্ত্বা হয়ে! ‘‌‌‌‌স্কোয়াশ’ চাষে কৃষক সামসুলের সফলতা পৌষ সংক্রান্তি সামনে রেখে কমলগঞ্জে বেড়েছে গুড়-নারিকেলের দাম চট্টগ্রামে বিএনপির ৩ নেতাকে বহিষ্কার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে জাতীয় পার্টি রাবিতে দেশের প্রথম অফিস অব দি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স চালু ধর্ষণ মামলার সাক্ষীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

ফুফুকে নিয়ে ভেগে গেল ভাতিজা, ফিরে এল অন্তঃসত্ত্বা হয়ে!

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৪৩৩ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : মানুষ লোভের কারণে কত কিছুই না করে। লোভের কারণে হিতাহীত জ্ঞান লোপ পায়। মানুষ পরিণত হয় পশুতে, মনস্তত্ব তখন আর কাজ করে না এটা যে শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে হচ্ছে তা কিন্তু নয় ধ্বংস করে দিচ্ছে সমাজ ব্যবস্থাকেও। এবার এমনই এক কলঙ্কজনিত ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার বেলতৈল গ্রামে। মাত্র ৫ শতাংশ জায়গার লোভে বাবা নিজের ছেলেকে লেলিয়ে দিল চাচাতো বোনের পিছনে। ছেলে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেল নিজের ফুফুকে। অবশেষে ফিরে এল ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করে।

সমাজ এবার মেনে না নিয়ে যাবে কোথায়। মানতে বাধ্য, কারণ মেয়েটির অনাগত পিতৃ পরিচয়ের কি হবে? তাই অবশেষে গোপনে হচ্ছে বিয়ে। এমনি এক নেক্কার জনক ঘটনা ঘটালো জমি লোভী পিতা এবং পুত্র। পিতা ইদ্রিস আলী গ্রাম্য পল্লী চিকিৎসক ও ফার্মেসী দোকানদার ও বড় ছেলে মামুন ঢাকায় একটি ওষুধ কোম্পনিতে মার্কেটিংয়ে চাকরি করেন। মেয়েটি (ডাক নাম শারমিন) ঢাকা ভার্সিটি থেকে মাস্টার্স শেষ করে চাকরি নিয়েছিল প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা হিসাবে।

খুঁজে নিয়ে জানা যায়, ইদ্রিস আলীর সাথে বসত বাড়ি নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ। মেজ ভাই মোক্তার আলীকে বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ঐ জায়গা দখল করার জন্য ৩ তলা ফাউন্ডেশন করে বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করেন ইদ্রিস আলী। এক তলা বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হলে ইদ্রিস আলী যায় ফেঁসে। বসত বাড়ি দখল করার জন্য বিল্ডিংটি এমনভাবে করা হয়েছে যে এখন আর তার বিল্ডিং থেকে বের হবার জন্য কোন রাস্তা নেই।

এদিকে বিল্ডিংয়ে ইতোমধ্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। মেঝ ভাই মোক্তার আলীকে তো বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছেই কিন্তু এবার সমস্যা হয় বড় ভাই মোকাদ্দছ আলী। সে তার বসতিতে ঘর তুললে বেকায়দায় পরে যায় ইদ্রিস আলী। বিল্ডিং থেকে বের হবার কোন রাস্তায় এখন আর বাকি নেই কারণ তার বিল্ডিং টির পশ্চিমে দিকে মুখ করা সেদিকে মোকাদ্দছ আলী ঘর করেছেন। দক্ষিণ দিকে মোকাদ্দছ আলীর জায়গা সে দিক দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা করতে গিয়েছিলেন ইদ্রিস আলী। আর তখন ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি হয়।

বিল্ডিং থেকে যখন সে বের হবার কোন রাস্তায় পাচ্ছিল না তখন তার নজর পরে তার বিল্ডিংয়ের পূর্বে থাকা ৫ শতাংশ জমির উপর এই জায়গাটা শারমিনের নামে। তখনি ইদ্রিস আলী ফন্দি আটে ছেলে মামুনকে দিয়ে শারমিনকে ভাগিয়ে নেবার এবং বাপ বেটা সে কাজে সফলও হয়। কিন্তু সমাজের ভয়ে সেটা এতদিন প্রকাশ করতে পারছিল না।

গত ১০ জানুয়ারি জমির নতুন হাল দাগ (আর এস ম্যাপ) প্রকাশ হলে দেখা যায় ইদ্রিস আলীর দখলে রাখা উত্তরের প্লটটি যেখান দিয়ে বিল্ডিং থেকে বের হবার এক মাত্র রাস্তা ছিল সেটা তার চাচার নামে। যেখানে সে ইতোমধ্যে বিল্ডিং করে দখলে রেখেছে। এমতাবস্থায় এখন উপায়? বিল্ডিং থেকে বের হবার কোন রাস্তায় তো বাকি নেই তাই দিসে হারা হয়ে পরে ইদ্রিস আলী। তড়িঘড়ি করে কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজের চাচাতো বোনকে ছেলের বউ করে ঘরে তুলছে। মানুষ কতটা লোভী হলে এহেন কাজ করতে পারে?

ইদ্রিস আলীর মেজ ভাই মোক্তার আলী জানান, আমি নিরীহ মানুষ অত শিক্ষিত না অতশত প্যাচ বুজিনা। আমি এবং আমার বড় ভাই মোকাদ্দছ আলী ইনকাম করে জায়গা কিনলাম। বাবার সাথে জায়গা দলিল করতে পাঠালাম ছোট ভাই ইদ্রিসকে কারণ ভাইদের মধ্যে সে মেট্রিক পাশ শিক্ষিত, জায়গা বাবার নামে দলিল না করে জালিয়াতি করে নিজের নামে দলিল করে তখন আমরা সেটা বুজতে পারিনি। বর্তমানে আমার সকল জায়গা জালিয়াতি করে নিজের নামে লিখে নিয়েছে। আমাকে আমার বসতি থেকেও উচ্ছেদ করেছে এবং শুনছি জায়গার লোভে আমার চাচাতো বোনের সাথে ছেলের বিয়ে দিচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শারমিনের এক চাচা জানান, আমি প্রথম থেকেই সবাইকে জানিয়েছি কেউ আমার কথা বিশ্বাস করেনি। সবার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বলে এসেছি, এটা কি কোনদিন মেনে নেয়া সম্ভব? ফুফু বিয়ে করছে ভাতিজাকে। সমাজ ধর্ম বলে তো কিছু আছে, আল্লাহ সীমালংগনকারীকে পছন্দ করে না, সমাজ এতে কি শিখবে? সমাজ এখন যদি চোখ বন্ধ করে থাকে এটা তো একটা নজির হয়ে থাকবে। এখন যারা চোখ বন্ধ করে এ ঘটনা মেনে নিচ্ছে তাদের সন্তানরাই ভবিষ্যতে এমন ঘটনা একদিন ঘটাবে।

খুঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, গ্রামের সকল মানুষ ছি ছি করছে এ ঘটনায়। ইউনিয়নের সকল মাতাব্বররা নাকি এই গ্রামেরই এমন কি চেয়ারম্যান পর্যন্ত। বেলতৈল গ্রামের এই সমাজ নাকি টাঙ্গাইল জেলার সব থেকে বড় সমাজের তকমা পেয়েছে। আজ সেই সমাজ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। আজ এই সমাজ কি শিক্ষা দিচ্ছে ভবিষ্যত প্রজন্মকে?

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Channel B
Theme Customized By BreakingNews